Join Our Telegram
Daily Mock Test
Join Our Facebook

Model Activity Task 2021 Class 6 Bengali Part 6|| মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 2021 ক্লাস 6 বাংলা পার্ট 6||

Model Activity Task 2021 Class 6 Bengali Part 6|| মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 2021 ক্লাস 6 বাংলা পার্ট 6||
Model Activity Task 2021 Class 6 Bengali Part 6|| মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক 2021 ক্লাস 6 বাংলা পার্ট 6||


১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :(প্রতিটি প্রশ্নের মান - ২)

১.১ ভাদুলি’ ব্রত কখন উদ্যাপিত হয়?

উত্তর:-সুভাস মুখােপাধ্যায়ের মরশুমের দিনে' রচনাংশ অনুসারে ভাদুলি’ ব্ৰত উদ্যাপিত হয় বর্ষার শেষে।

১.২ সন্ধ্যায় হাটের চিত্রটি কেমন?

উত্তর:- 'হাট' কবিতায় কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত,সন্ধ্যায় হাটের এক করুণ চিত্র তুলে ধরেছেন। হাট ভাঙার পর সবাই একে একে ঘরে ফেরে। সন্ধ্যার সময় ওখানে কেউ প্রদীপ জ্বালে না। নির্জনে কাকের ডাকে হাটের বুকে অন্ধকার নামে।

১.৩ কোন্ তিথিতে রাঢ়বঙ্গের কৃষিজীবী সমাজের প্রাচীন উৎসব গাে-বন্দনা, অলক্ষ্মী বিদায়, কঁড়াখুঁটা, গােরুখুটা প্রভৃতি পালিত হয়?

উত্তর:- কার্তিকের অমাবস্যা তিথিতে রাঢ়বঙ্গের কৃষিজীবী সমাজের প্রাচীন উৎসব গাে-বন্দনা,
অলক্ষ্মী বিদায়, কাঁড়াখুঁটা, গােরুখুটা প্রভৃতি পালিত হয়।

১.৪ কেমন যেন চেনা লাগে ব্যস্ত মধুর চলা’- কবিকার চলার কথা বলেছেন?

উত্তর:- ‘কেমন যেন চেনা লাগে ব্যস্ত মধুর চলা – এই উক্তিটির দ্বারা কবি অমিয় চক্রবর্তী তাঁর ‘পিপড়ে কবিতায়, পিঁপড়ের দলের সারিবদ্ধভাবে চলার কথা বলেছেন।

১.৫ ‘সে বাড়ির নিশানা হয়েছে আমগাছটি’- ‘ফাকি’ গল্পে গােপালবাবু কীভাবে তার বাড়ির ঠিকানা জানাতেন?

উত্তর:- রাজকিশাের পট্টনায়কের লেখা ‘ফাঁকি’ গল্পের গােপালবাবু তাঁর বাড়ির ঠিকানা
জানাতেন এইভাবে "কাঠজোড়ি নদীর ধার বরাবর পুরীঘাট পুলিশের ফাঁড়ির পশ্চিমে যেখানে পাঁচিলের মধ্যে আমগাছ দেখবেন সেখানেই আমাদের বাড়ি।”

১.৬ ‘তুমি যে কাজের লােক ভাই! ওইটেই আসল। কে, কাকে, কখন একথা বলেছিল?

উত্তর:- দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের লেখা 'আশীবাদ গল্পে এই কথাটি গাছের পাতা
বলেছিল পিপড়েকে। পিপড়ে গাছের পাতাকে বলেছিল যে তাদের কর্মদক্ষতা কোনাে কাজে লাগে না। গাছের পাতার কারনেই সে প্রাণে বেঁচেছে । এই কথার পর পাতা একথা বলেছিল।

২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখাে :

(প্রতিটি প্রশ্নের মান - ৩)

২.১ ‘হঠাৎ একদিন ঝমঝম করে পড়ে বৃষ্টি'- তখন কৃষকরা কীভাবে ব্যস্ত হয়ে পড়ে মরশুমের দিনে’রচনাংশ অনুসরণে লেখাে।

উত্তর:- সুভাষ মুখােপাধ্যায়ের মরশুমের দিনে গদ্যাংশে দেখা যায় দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হঠাৎ একদিন ঝমঝম করে বৃষ্টি হওয়ার পর চাষিদের মুখে হাঁসি ফুটে ওঠে। হােগলার তৈরি মাথালে মাথা-পিঠ ঢেকে গামছা পরে তারা বেরিয়ে পড়ে চাষের কাজে। বর্ষা থাকতে থাকতেই তারা ধান রােয়া ও আল বাঁধার কাজ সেরে নেয়। ধান ছাড়াও কারাে আছে পাটের জমির বিস্তর কাজ।

২.২ ‘শিশির-বিমল প্রভাতের ফল,শত হাতে সহি পরখের ছল- বিকালবেলায় বিকায় হেলায়সহিয়া নীরব ব্যথা। উদ্ধৃতাংশের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করাে।

উত্তর:- কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের 'হাট' কবিতা থেকে উদ্ধৃতাংশটি নেওয়া হয়েছে। সকালবেলা হাটে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা ফলগুলি সারাদিন শতহাতে পরখের ছলনা সহ্যকরে বিকালবেলায় অবহেলার সঙ্গে সামান্য দামে বিক্রি হয়ে যায়। প্রাপ্য দাম বা সম্মান থেকে বঞ্চিত হওয়ার নীরব ব্যথা এখানে প্রকাশিত হয়েছে,।

২.৩ এমন অভূতপূর্ব অবস্থায় আমায় পড়তে হবে ভাবিনি।-গল্পকথক কোন্ অবস্থায় পড়েছিলেন?

উত্তর:- শিবরাম চক্রবর্তীর ‘এক ভূতুরেকান্ড’ গল্প থেকে উদ্ধৃত উক্তিটি নেওয়া হয়েছে। সাইকেলের চাকা ফেঁসে যাওয়ায়, লেখক খুব আস্তে আস্তে চলা একটি ছােট্ট বেবি অস্টিন গাড়িতে উঠে আরাম করে বসেন। লালপুরার মােড়ে তিনি যে নামবেন, সেকথা ড্রাইভারকে বলতে গিয়ে দেখলেন, ড্রাইভার নেই, গাড়ির ইঞ্জিনও চলছে না অথচ গাড়িটি ঠিক পথেই চলছিল। গল্পকথক এই ভূতুরে অবস্থায় পড়ে ছিলেন ।

২.৪ ‘বাঘ বাবা-মা বদলে নিলেন বাড়ি’- তাদের বাড়ি বদলাতে হয়েছিল কেন?

উত্তর:- নবনীতা দেবসেনের 'বাঘ' কবিতায় ছােট্ট বাঘটি থাকত তার বাবা-মায়ের সাথে পাখিরালয়ে। সেখানে শুধুই পাখি। ছাগল, ভেড়া, হরিণ কিছুই নেই, খাবে কি? খিদের জ্বালায় সে পাখি ধরতে লাফ দেয় কিন্তু পাখিরা উড়ে পালায়। এরপর সে যায় নদীতে কাঁকড়া ধরতে। গর্তে থাবা ঢােকাতেই কাঁকড়া তার পা চিমটে ধরে। অবশেষে সে কাদায় মেনিমৎস ধরতে চেষ্টা করলে লজ্জায়, বাঘ বাবা-মা বাড়ি বদলে নেয়।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৩.১ শব্দজাত, অনুসর্গগুলিকে বাংলায় কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় এবং কী কী?

উত্তর:-
শব্দজাত, অনুসর্গ গুলিকে বাংলায় তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। এগুলি হলাে –(১) তৎসম অনুসর্গ, (২) তদ্ভব অনুসর্গ এবং (৩) বিদেশি অনুসর্গ

৩.২ উপসর্গের আরেক নাম আদ্যপ্রত্যয় কেন?

উত্তর:-  'আদ্য' শব্দের অর্থ হল আদিতে বা প্রথমে । প্রত্যয় কথার অর্থ হল - মূল শব্দের সঙ্গে যে শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন নামপদ তৈরি করে । মূল শব্দের আদিতে বা প্রথমে বসে যে প্রত্যয় শব্দটির অর্থ বদলে দেয় তাবে আদ্যপ্রত্যয় বলে ।
উপসর্গের কাজ সেইরকম তাই উপসর্গের এর এক নাম আদ্যপ্রত্যয়।

৩.৩ ধাতুবিভক্তি’ বলতে কী বােঝ?

উত্তর:- ধাতুর সঙ্গে যে শতাংশ জুড়ে যে ক্রিয়া পদ গঠন করে, তাদের ধাতু বিভক্তি বলে। চল্+ এ= চলে "এ" বিভক্তি

৩.৪ শব্দযুগলের অর্থপার্থক্য দেখাও : আশা/আসা, সর্গ/স্বর্গ

উত্তর:-
আশা- (আকাঙ্ক্ষা) = পরীক্ষার পর প্রত্যেকটি ছাত্র-ছাত্রী ভালো ফলের আশা করে।
আসা- (আগমন)= আজ আমাদের বাড়ি নতুন শিক্ষক আমাকে পড়াতে আসবে।
সর্গ – (কাব্যের অধ্যায়)= মহাভারত গ্রন্থটি আঠারোটি সর্গে-এ বিভক্ত।
স্বর্গ – (দেবলােক /বেহেস্ত)= দেবতারা স্বর্গে থাকে।

৩.৫ পদান্তর করাে : জগৎ, জটিল

উত্তর: - জগৎ - জাগতিক
জটিল - জটিলতা
৩.৬ অনধিক ১০০ শব্দে অনুচ্ছেদ রচনা করাে : বাংলার উৎসব
বাংলার উৎসব

ভূমিকা:- উৎসব ও পার্বণের ঘটা সমাজের মূল স্তরের মানুষের মনে এনে দেয় অমেয় প্রাণশক্তির ঐশ্বর্য ও অফুরন্ত আনন্দের উচ্ছ্বাস । পারস্পরিক  মিলন ও ভাব ঐশ্বর্য্যের আদান - প্রদানের মধ্য দিয়েই উৎসব গুলি প্রাণবন্ত হয়ে সার্থকতা অর্জন করে।
উৎসবের শ্রেণীকরণ:
বাংলার উৎসব গুলিকে মূলত চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যেমন – ১. ধর্মীয় উৎসব ২. সামাজিক
উৎসব ৩. ঋতু উৎসব ও ৪. জাতীয় উৎসব।
ধর্মীয় উৎসব:
ধর্মীয় উৎসবগুলি বিভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাস ও ভাবনাকে কেন্দ্র করে হয়ে থাকে। এদের মধ্যে অন্যতম দুর্গোৎসব,ঈদ, মহরম, গুড ফ্রাইডে, বড়দিন, বুদ্ধ পূণির্মা ও গুরু নানকের জন্মদিন।
সামাজিক উৎসব:
সামাজিক উৎসবেও একই ভাবে মেতে ওঠে বাঙালি। উপনয়ন, অন্নপ্রাশন,বাড়ি প্রতিষ্ঠা, থেকে বিয়ে বাড়ি এসবই পড়ে সামাজিক উৎসবের মধ্যে। ভাই ফোঁটা, জামাইষষ্ঠী র মতাে উৎসব গুলিও এ প্রসঙ্গে উল্লেখযােগ্য।
ঋতু উৎসব:
বছরের ছয়টি ঋতুকে কেন্দ্র করে বাংলায় অসংখ্য উৎসব, নাচ গান সহ নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়। যেমন বসন্ত উৎসব, বর্ষা বন্দনা, হােলি, মকর, নবান্ন ইত্যাদি ।
জাতীয় উৎসব:
সর্বভারতীয় জাতীয় উৎসব গুলিতেও শহর থেকে গ্রাম সারা বাংলা মেতে ওঠে। স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস, নেতাজির জন্মদিন, গান্ধী জয়ন্তী, ইত্যাদি এই প্রসঙ্গে উল্লেখযােগ্য।
উপসংহার:
প্রতিদিনের গতানুগতিক জীবন থেকে মুক্ত হয়ে, ব্যাক্তিগত দুঃখ কষ্ট ভুলে, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার সাথে আনন্দে মেতে ওঠাই উৎসবের প্রধান উদ্দেশ্য। জীবনে উৎসবের প্রয়ােজন অপরিসীম। তাই বাঙালির বারাে মাসে তেরাে পার্বণের ধারাও সমান্তরাল ভাবে বয়ে চলবে অনন্তকাল।


Click here√Model Activity Task class 7 English (Part 6)

Click here√Model Activity Task class 7 Environment Science (Part 6)

Click here√Model Activity Task class 7 Health and Physical education

Click here√Model Activity Task class 7 History (Part 6)

Click here√Model Activity Task class 4 Geography (Part 6)

Post a Comment

Previous Post Next Post